
এ ঘোষণায় নাবী (সাঃ)-এর শাহাদতের খবর মুসলিম ও মুশরিক উভয় দলের মধ্যেই ছড়িয়ে পড়ল। এ দুঃখ সংবাদ রটনার পর অধিকাংশ মুসলিমই ক্ষণিকের জন্যে কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়লেন। একদল মুসলিম ইতোমধ্যেই শাহাদত প্রাপ্ত হয়েছেন, জীবিতদের মধ্যে একদল গুরুতররূপে আহত হয়ে পড়েছেন। আর রাসূলুল্লাহ (সাঃ) শহীদ হয়েছেন শুনে একদল অস্ত্র ত্যাগ করে যুদ্ধক্ষেত্র পরিত্যাগ এমন কি কেউ কেউ মদীনায় পলায়ন পর্যন্ত করলেন। কিন্তু রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর শাহাদতের এ খবরই আবার এদিক দিয়ে কল্যাণকররূপে প্রতীয়মান হয় যে, তারা অনুভব করছিল যে, তাদের শেষ উদ্দেশ্য পূর্ণ হয়েছে। সুতরাং এখন বহু মুশরিক আক্রমণ বন্ধ করে মুসলিম শহীদদের মৃত দেহের মূসলা (নাক, কান ইত্যাদি কেটে নেয়ার কাজ) করতে শুরু করে দেয়।